ঠাপের পচপচ শব্দে বাতাস ভারী

‘তুমি চাইলেই বৃষ্টি মেঘও ছিল রাজি…………’
মোবাইল এল্যার্মের শব্দে ঘুম ভাঙ্গে রেদোর। ঘর অন্ধকার। সে কোথায় বুঝে উঠতে কষ্ট হয়। গায়ে বউ নীলার নরম হাত খানা দেখে মনে পরে গেলো দুপুরের কামনার আগুনের কথা- আজ অফিস থেকে তাড়াতাড়ীই ছুটি পেয়ে গিয়েছিল তাই লাঞ্চ করতে বাসায় এসে পরে। কাল রাতে কাজের চাপে বেশী থাকায় রাত পর্যন্ত নীলাকে সোহাগ করা হয় নি বলেই কিনা খুব হর্নী হয়ে ছিল সে। দ্রুত সিড়ি মাড়িয়ে কলবেল এ হাত। নীলা দরজা খোলা মাত্র রেদো ক্ষুধার্ত জন্তুর ন্যায় ঝাপিয়ে পরল।
নীলাঃ “আরে বাবা কি শুরু করলে, দরজাটাত বন্ধ……”
নীলার পাতলা হাল্কা গোলাপী ঠোটজোরা কামরে ধরে রেদো, চুষতে থাকে পাগলের মত, এক হাত দিয়ে এক ফাকে সদর দরজাটা লাগিয়ে দেয়। নিচের অধরটাকে নিংরে সুনিপুনভাবে জিহবাটাকে আলিংগন করে নেয়, সাড়া দেয় নীলাও। রেদোর অবাধ্য ঠোট চিবুক কপাল কান গলা সবখানেই ভ্রমনে ব্যস্ত হয়ে পরে। নীলাকে দেয়ালের সাথে ঠেসে ধরে। রেদোর শক্ত হওয়া লিংগ নীলার উরুর ভাজে বারি খেতে থাকে, রেদোর জাঙ্গিয়া দন্ডটিকে আটকে রাখার আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এক ফাকে বলে নীলাঃ “কি আমাকে দিয়েই কি পেট ভরাবে? খাবে না তুমি?”
“জানু তুমি থাকলে আর কিছু কি লাগে বল?” বলেই আবার কিস দিতে ব্যস্ত হয়ে পরল রেদোর ঠোট, হাতজোরা নীলার ম্যাক্সির ভেতর দিয়ে দলামলা শুরু করে নীলার ছোট স্তনদুটো। হঠাত কোলে তুলে নিয়ে নীলাকে বেডরুমে নিয়ে যায় আর বিছানায় শুইয়ে দেয়। ম্যাক্সিটা খুলে নেয় খুব দ্রুত। ভেতরে কিছু পরেনি নীলা, দুধদুটো আর ঠোটের মাঝে আর কোন বাধা নেই। স্তনদুটো যেন পদ্মপাতার উপর পরিস্ফুটিত কমল,নির্মল আনন্দে রেদো বৃত্তাকারে জিব্বা দিয়ে একের পর এক লালাবৃত্ত একে যায়, লাল করে দেয় চুষে চুষে। নীলা রেদোর চুলগুলো আকরে ধরে, আরামে কাজলটানা চোখদুটো বুজে আসে আপনাআপনি। আহহ…… হহ অস্ফুট চাপা শীতকার রেদোকে যেন আরো উত্তেজিত করে তোলে।
কিন্তু সর্বোচ্চ পর্যায়ে যাওয়া সম্ভব না, নীলা সাড়ে ৫ মাসের অন্তসত্তা, তাই অতৃপ্তি থেকেই গেল। চুম্বন কার্যক্রম মন্থর হয়ে এলে রেদোর খাড়া বাড়াটা মুক্তি দেয় নীলা, তারপর তার কোমল হাতের মোহনীয় স্পর্শে খেচে দিতে থাকে, নীচ থেকে মুন্ডি পর্যন্ত অবিরামভাবে আগে পিছে করে। গরম শক্ত দন্ডটি যেন আরো ফুসে উঠে। খানিক পর রেদোর ধন এ আদর সহ্য করতে না পেরে উগলিয়ে দিল স্পার্মগুলো ছলকে ছলকে। রেদো নিবিড় ভালোবাসায় আকড়ে ধরে লম্বা চুমু দেয় নীলাকে, ভেবেছিল এরপর কিছুক্ষন অঙ্গুলি করবে কিন্তু নীলা বলে উঠে ওগো এখন আর না প্লিজ, আমার শরীর খারাপ লাগছে।
‘জান একটু শুয়ে রেস্ট নাও’ বলে রেদো পানি আনতে যায়। পানি খাইয়ে রেদো নীলার পেটে কান রেখে বলেঃ “শোন, মেয়েটা বলছে মা, বাবা তোমাকে অনেক ভালোবাসে।”
হেসে নীলা বলে মেয়ে জানলে কি করে?
‘এই যে আমি ওর খিলখিল হাসির শব্দ শুনতে পাচ্ছি।’
‘আউ… আমার ত মনে হয় ছেলে, যেভাবে মাঝে মাঝে নাড়া দিয়ে উঠে মনে হয় যেন ফুটবল খেলছে!’
‘হা হা, দেখা যাক জান, কার কথা ঠিক হয়, আচ্ছা তুমি তাহলে আজকে যেও না আমার সাথে রেস্ট নাও নইলে শরীর বেশী খারাপ করবে।’
‘হুম্মম আচ্ছা।’
এরপর খেয়েদেয়ে গোসল করে একচোট ঘুমিয়ে নেয় দুজনে।

নীলা ব্যাংকে চাকরী করে, অন্তসত্তা বিধায় এখন ছুটিতে আছে। দেখতে খুবি আকর্ষনীও, এখন যদিও পানি জমে অসুস্থতার জন্য একটু মোটা হয়ে গেছে, চেহারার লাবন্যও একটু কমে গেছে, তবে বিয়ের সময়কার ছবিতে দৃষ্টি দিলে যেকোন পুরুষেরই কামযন্ত্রনা শুরু হতে বাধ্য। মেদহীন শরীর, শ্যামলা হলেও খুব নজরকারা চেহারা। রেদোও দাম্পত্য জীবনে খুশী। তবু ইদানীং নীলার প্রেগ্নেন্সীর পর থেকে রেদোর অতৃপ্তি বেরেই চলেছে, যদিও বাস্তবতা সে জানে আর নীলাকে সত্যি খুব ভালোওবাসে।
এসব ভাবতে ভাবতেই নীলার দিকে আরেকবার তাকায় সে, মেয়েটা অঘোরে ঘুমুচ্ছে। জাগাতে ইচ্ছে করল না। আজ বিকেলে ভার্সিটির রিইউনিওন, কতদিন সবার সাথে দেখা হয় না। পুরোনো বন্ধুদের সাথে দেখা হবে এতদিন পর, তাই লেট করার মানে নেই। নীলার কপালে আলতো করে একটা চুমু দিয়ে উঠে বসল আর নীলার জন্য মেসেজ দিয়ে রাখল, পার্টি থেকে ফিরতে দেরি হতে পারে আমার, তুমি ঔষধ খেয়ে নিও ঠিকমত। আই লাভ ইউ জানু। চটপট রেডী হয়ে গন্তব্যে রওয়ানা হয়ে যায় রেদো।
রেদো দেখতে খারাপ নয়, মোটামুটি সুদর্শন বলে চালিয়ে দেয়া যায়। বয়স ২৯, বছর দুয়েক হল বিয়ে করে নীলাকে। প্রেম করেই বিয়েটা করা। এখন একটি বেসরকারী কোম্পানীতে বি এস সি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। পাশ করার পর এটাই প্রথম রিইউনিওন। পৌছে অনেক বন্ধুদের সাথে জমিয়ে আড্ডা শুরু হয়ে গেল। কে কোথায় আছে, বিয়ে থা, আগের দিনের মজার স্মৃতিগুলো, কে কাকে কি নামে ডাকত মজা করে কিছুই বাদ গেলো না। সবার মনই প্রফুল্ল, এতদিন পর জম্পেশ আড্ডা।
হঠাত রেদোর চোখ আটকে গেলো নীল শাড়ী পড়া মেয়েটার দিকে, মুখটা সামনের দিকে, তবে পেছন থেকে দেখেই রেদোর কৌতুহল জাগল, এত সুন্দর লম্বা সিল্কি চুল ত ক্লাসে একজনেরি ছিল, তবে কি এটা তমা? নিজেকেই প্রশ্ন করে সে। তমা! রেদো ছোটবেলাতে থেকে অনেক মেয়েকেই তার ভালো লেগেছে, কিন্তু তমার কথা ছিল আলাদা, হয়তো তমাই ছিল ওর জীবনের প্রথম প্রেম! কত মেয়েকেই কলেজ ভার্সিটি জীবনে ভালো লেগেছে, সেই ভালোলাগা ছিল শুধুই দৈহিক, তমাই প্রথম মেয়ে যার শুধুই শরীরটাকে ভালো লেগেছিল তা নয়। তমার সবকিছুতেই যেন অন্যরকম কিছু একটা ছিল, যা রেদোকে টানত নিবিরভাবে। তার হাসি, কথা বলার ভঙ্গিমা আর ব্যক্তিত্তে আকৃষ্ট হয়ে রেদো প্রেমেই পরে গিয়েছিল।
ভার্সিটির প্রথম দিন। আড়ষ্ট ভাব নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ। হঠাত বড় ভাইদের একটা গ্রুপ এর ডাক পড়ল, আঙ্গুলের ইশারাটা আমার দিকেই। আমি ত ভয়ে জবুথবু, র*্যাগিংকে ভয় না পেয়ে উপায় কি।অনেক বাতচিত অপমানের পর লাস্ট কাজটা আমাকে দেয়া হলঃ
গোলাপী সালোয়ার পরা মেয়েটা দেখছিস না? ওকে আই লাভ ইউ বলে আয় আর হ্যা মোবাইল নাম্বারটাও নিয়ে আসবি।
আমি তাকালাম মেয়েটার দিকে, এক বান্ধবীর সাথে গল্পে মশগুল, গোলাপী কামিজে অসাধারন মানিয়েছে ত! খোলা চুলগুলো বাতাসে এলোমেলো হয়ে উরছে। বুকটা হাল্কা গোলগাল,কুসুম পরিস্ফুটিত হয়নি পুরোপুরি বুঝলাম, স্লিম ফর্সা দেহ। আমি বড় ভাইদের কথামত সুবোধ বালকের মত ওর কাছে গিয়ে দারালাম আর র*্যাগিং এর কথা খুলে বললাম। মেয়েটা খুব সুইট করে আমার গাল টিপে দিয়ে বলল ইশ বেচারা! ওর প্রতি আমি একেবারেই গলে গেলাম। আমার খুশীর সীমা থাকল না যখন ক্লাসে ঢুকে দেখলাম ও আমার ডিপার্টমেন্টেই, আমার ক্লাসেই!
এরপর দিন যেতে থাকল, ওর সাথে সময়ও কাটত অনেক। ল্যাব কুইজ নিয়ে গ্রুপ স্টাডির বাহানায় কত গল্পই না করতাম, একসাথে ঘুরতেও যেতাম মাঝে মাঝে। দিন দিন ওর প্রতি দুর্বলতা বেড়েই যেতে লাগল। ওর শরীর মন দুটোকেই পাবার জন্য উদগ্রীব হয়ে যেতে লাগলাম। কিন্তু আমি খুব শকড হলাম যেদিন ও আমাদের চেয়ে ২ ব্যাচ সিনিয়র এক বড় ভাই এর সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দিল আর বলল, ও আমার বিএফ। আমার ভালোবাসার অংকুরোদগম আর হল না!রেদোর মনের আয়নায় অই দিনগুলো খুব বাস্তব হয়ে উঠে। এরপর ওর সাথে যোগাযোগ কমতে থাকে। ওর বি এফ এর স্কলারশীপ হয়ে যাবার পর ওকে বিয়ে করেও কানাডা চলে যায় বলেই শুনেছিলাম, সেখানে গিয়ে বাকি পড়াশুনাটুকু শেষ করবে ঠিক করেছিল। এই কি সেই তমা? এতসব যখন ভাবছে ঠিক তখনি স্মিত হাসির এক নারীকন্ঠ কানে এলো রেদোর-

‘এই তুমি রেদো না?’
মেয়েটির দিকে তাকায় রেদো, আর এ যে তমাই, নীল শাড়ী পরা মেয়েটিই, রেদো ঠিকই চিনেছিল, তমার অই চুলের কথা কি রেদোর পক্ষে ভোলা সম্ভব!
‘কি হল কথা বলছ না যে! তুমি রেদো রাইট?’
‘হুম ঠিক চিনেছ’
কিছুক্ষন চুপচাপ মুহুর্ত। এতদিন পর হঠাত দেখা হওয়ায় দুজনি কেমন যেন আড়ষ্ট। অথচ রেদোর মনে কত কথাই না জমে আছে! তমারওকি তাই, ভাবে রেদো।
‘একদম বদলাও নি তুমি!’
‘তুমি কিন্তু আগের চেয়েও অনেক সুন্দর হয়েছ!’
‘কি করে বুঝলে শুনি? আমাকে চেক আউট করছিলে রাইট?’ আগের মতই তীক্ষ্ণ আর রহস্যময় চাহনি দিয়ে বলল তমা।
‘বাগানের সবচাইতে সুন্দর ফুলটার দিকে যে কেউইত নজর করবে তাই না?’
‘ইশ তোমার বউ কোথায় শুনি? এসব কথা শুনলে ত প্যাদানি দেবে হা হা’
হা হা হেসে উঠে রেদোও।
হাটতে হাটতে দুজন বাইরের বাগানে এসে পরে, এদিকটা একটু চুপচাপ, মিউজিক শোরগোল কম।
‘আমি বিয়ে করেছি জানলে কিভাবে?’
‘ওমা! বিয়ে করবেনা কেনো শুনি? চিরকুমার খাকার ইচ্ছে ত তোমার কখনও ছিল না!’ হাসে তমা।
উত্তর না দিয়ে বলে রেদো, তুমি কি কানাডাতেই থিতু হয়ে গেলে? আমি কিন্তু তোমার উপর অনেক রাগ করেছি, তুমি আমাকে যাওয়ার আগে জানাওনি’ অভিমান নিয়ে বলে রেদো।
‘আমি আসলে সেজন্য খুব সরি, ব্যাপারটা হঠাত করে হয়ে গেল আর… আচ্ছা তোমার অভিমান ভাংতে হলে আমার কি করতে হবে বল, তোমার কথা আমি ফেলব না।’
স্থির দৃষ্টিতে তমার চোখের দিকে তাকায় রেদো, চাহনিতে মনে হল সত্যি বুঝি রেদো যা চাইবে তাই দেবে তমা!
রেদোর অদ্ভুত দৃষ্টিতে অস্বস্তি ফিল করল তমা তাই প্রসংগ অন্যদিকে নিতে বলল-
‘কি হল চুপ করে গেলে যে? আচ্ছা তোমার বউএর কথা বল, নিশ্চই খুব সুন্দরী আর লক্ষী তাই না?’
‘হ্যা, আমি খুব সুখী নীলাকে পেয়ে, সে খুবি কেয়ারিং মেয়ে।’
তমার চোখে একটু ঈর্ষা কি ফুটে উঠল? কি জানি হইত আমার মনের ভুল! ভাবে রেদো। ও কেন ঈর্ষিত হবে!
‘অ্যান্ড সী ইজ প্রেগ্নেন্ট ইউ নো?’
‘ওয়াও কনগ্রাটজ, এইজন্যই কি ও আসে নি তোমার সাথে?’
‘হু, থ্যাঙ্কস’

‘তোমার লাইফ কেমন চলছে, নিশ্চই খুব সুখেই আছো তোমরা তাই না?’ রেদো বলে। কিন্তু উত্তরটা পাওয়ার আগেই কল বেজে উঠে রেদোর মোবাইলে, স্ক্রীনে ভেসে উঠেছে নীলার নাম।
নীলার শরীর কেমন জানল, আর রাতে ঘুমিয়ে যেতে বলল কারন রেদোর ফিরতে রাত হবে। নীলাও রেদোকে বেশী দেরি না করতে আর মাত্রাতিরিক্ত ড্রিংক্স করতে মানা করে দিল কঠোরভাবে।
ফোন রেখে তমাকে বলল রেদো আমার প্রশ্নের উত্তর দিলে না যে?
তমা নিশ্চুপ। কিন্তু নীরবতার মানেটা উপলব্ধি করে তারাতারি বলল-
‘হুম,সুখী।’
ছোট এই জবাবে কেন জানি রেদোর মনে হল এর মধ্যে মিশে আছে অনেক কথা, তমা হইত লুকাতে চাইছে।’
‘তোমার নীলা খুব কেয়ারিং তাই না?’
‘হুম, সি লাভ মি ভেরি মাচ।’
‘ও আসে নি যে তোমার সাথে?’এরপর জিজ্ঞেস করে রেদো।
‘ও একটা প্রজেক্ট নিয়ে বিজি, এখন আমেরিকায় আছে, আমিও দুইদিন পরই আবার ওখানে চলে যাচ্ছি, তোমাদের সাথে দেখা করার জন্যই এলাম বাংলাদেশে।’
‘ও, তুমি এসেছ দেখে ভাল লাগল’ বলেই রেদো তমার চোখের দিকে তাকাল।
উত্তরে কি একটা কথা বলতে যাবে তমা তখনি রাকিব এর আগমন-
এই তোরা দুইজনে কি ফুচুর ফুচুর করিস, এদিকে আয়, গেম শো শুরু হবে।
রেদো আর তমা ভেতরে যায়।
হেব্বি খানাপিনা, বিভিন্ন গেম, আড্ডা হল রাত এগারটা পর্যন্ত। একান্তে কথা বলার আর তেমন সময় পেল না রেদো আর তমা।
এখন যাবার পালা। যে যার মত চলে যাচ্ছে বিদায় নিয়ে।
তমা গাড়ী আনে নি, এত রাতে একা যাওয়া ঠিক না, তাই রেদো বলল,’চল তোমাকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে যাই।’ একটু ইতস্তত করলেও শেষে রাজি হয়ে গেল তমা। এত রাতে নইলে যাবেই বা কিভাবে সে? তমার জন্য দরজা খুলে ধরল রেদো, নিচু হল তমা ঢোকার জন্য আর তখনি বুকের আচলটা একটু নেমে অনেকটাই উন্মুক্ত হয়ে গেল, এই প্রথম তমার প্রতি আগের সেই তীব্র কামনাটা অনুভব করল রেদো। সে জানে এটা ঠিক না, কিন্তু মনকে প্রবোধ দিতে সে পারল না।এ বার সে কামুক চোখে তমাকে দেখল, সত্যি অনেক সুন্দর হয়েছে তমা! চেহারার সেই মোহনীয়তা যেন আরো বেড়েছে, সুগভীর বুক দুটো সকল পল্লব নিয়ে বিকশিত, পশ্চাতদেশটাও যেন রেদোর নজর কাড়ল।
‘এই গাড়ী কি আমি চালাব নাকি, বসছ না যে?’
তমার কথায় চোখ অন্যদিকে ফেরায় রেদো আর তারাতারি ড্রাইভিং সীটে গিয়ে বসে পরল। কিন্তু তমার বুক দুটোর কথা ভুলতে পারচ্ছে না, ওটা দেখে ধন খাড়িয়ে আছে, অনেক দিন গুদ না পাওয়া ধন!
হঠাত নীরবতা। কি বলবে ভেবে পায় না রেদো। তমাই নৈশব্দ্য ভাংল-‘আমি আসলে তোমাকে মিথ্যে বলেছি, সাজিদকে নিয়ে আমি মোটেও হ্যাপী নই, ও প্রায়ই এখন নেশা করে, আমাকে তেমন একটা সময়ও দেয় না। ওর শারীরীক কিছু সমস্যা থাকায় আমি মাও হতে পারব না। ও অবশ্য আমাকেই অপবাদটা দেয়, অনেকবার চিন্তা করেছি ডিভোর্স দিব কিন্তু নিজের পছন্দের জনকে বিয়ে করায় বাবা আমাকে অনেক কথা শুনিয়েছিল ।আমি তা করলে বাবার সামনে মুখ দেখাব কেমন করে, আমি বাবাকে অনেক ভালোবাসি। তাই আর আগাই নি।’ এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বলল তমা।

‘তুমি হইত ভাবছ কথাগুলো তোমায় কেন বললাম, আসলে বোঝা হাল্কা করতে চাইলাম, শেয়ার করার মত কোন বন্ধু যে আমার নেই, অনেক দিন পর তোমাকে পেয়ে আমার খুব ভালো লাগল।’
কথাগুলো যেন কাটা হয়ে বিধল রেদোর হৃদয়ে। মিররে দেখে রেদো তমাকে, ওর গাল বেয়ে অশ্রুর ফোটা। হঠাতই মেয়েটার জন্য অনেক বেশী মায়া অনুভব করে রেদো।
সান্ত্বনা দিতে রাস্তার পাশে গাড়ী থামায় সে, তমাকে বুকে টেনে নেয় আস্তে করে। তমার উষ্ণ স্পর্শ অনুভব করে রেদো তার বুকে, আর সাথে যেন এক মাদকতাময় মেয়েলী গন্ধ।
কি যে হল রেদোর সে যেন আবেগের সেই ভার্সিটির দিনে ফিরে গেলো, রেদো তার ঠোট দিয়ে তমার নীলচে লিপিস্টিক দেওয়া ঠোট কেড়ে নিল। কি অদ্ভুত সুমিষ্ট ঘ্রাণ। অস্ফূট শব্দ করল তমা কিন্তু বাধা দিল না, হইত এখন সে ক্ষমতা এখন আর নেই, অনেক দেরী হয়ে গেছে। নিবিরভাবে রেদোর কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করল যেন।
এক মানব মানবীর সকল নৈতিকতা যেন না পাওয়ার কামনার সুতীব্র ঢেউয়ে ভেসে গেল এক নিমিষেই। রাত তখন প্রায় ১২ টা, আর রাস্তা নির্জন তাই আসেপাশেও কেও ছিল না, কয়েকটা গাড়ী শা শা করে চলে যাচ্ছে, তাছাড়া চারপাশে আর কোন জনমানব নেই। রেদো চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দেয় তমার গাল, নাক, কপাল, চোখ সবকিছুতেই। একবার গালে, আবার কানের লতিতে হাল্কা কামর দিয়ে যেন তমাকে শিহরিত করে তোলে। রেশমী চুলগুলো সরিয়ে ঘারে স্পর্শ করে।
রেদো আবার গলায় হাল্কা দাত বসিয়ে যেতে থাকে। ভারী নিঃশ্বাসের সাথে হাল্কা শীতকার বেরিয়ে আসে তমার মুখ থেকে। তমাকে চুমু দিতে দিতে মুখটাকে গ্লাসের সাথে আটকে দেয় আর উপরে উঠে আসে রেদো, তমার আচল নিচে লুটোপুটি খায়। এক হাত দিয়ে ব্রা এর ভেতর দিয়েই মলতে থাকে তমার বড় সাইজের দুধদুটোর বামটি, আরেক হাত তমার চোয়ালে ধরে রেখে তমার জিব্বাটাকে টেনে নেয় আপন করে, তারপর চুষতে থাকে অবিরাম। আস্তে আস্তে বুকে নেমে আসে, এসি ছারা, তারপর বিন্দু বিন্দু ঘাম তমার গলা আর বুকে, রেদো তা যেন তৃষিতের ন্যায় চেটে যেতে লাগল। কি যে ভাল লাগছিল রেদোর। তমা নিজেই ব্রার হুক খুলে দিল, অসাধারন সুন্দর গোলগাল সাইজের বড় স্তনদুটো লাফিয়ে মুক্ত হল, কিন্তু রেদোর হাত আর ঠোট তাদের এ মুক্তির আনন্দ বেশীক্ষন উপভোগ করতে দিল না। রেদো যেন ঝাপিয়ে পরল ডান দিকের মাই এর উপর। দুধ দুটোর কেন্দ্রের দিকটা অনেকটা আমের নিচের দিকটার মত চোখা, আর হাল্কা খয়েরী বৃত্তের মাঝে ইরেক্টেড কালো বোটা। রেদো বোটার চারপাশে আস্তে আস্তে জিহবা বুলিয়ে দিতে লাগল। আরেক হাত দিয়ে শাড়ীর উপর দিয়েই যোনীতে হাত দিয়ে আদর করতে লাগল। এক পা গিয়ার বক্সের বামে আরেক পা ডানে ঝুলিয়ে দিয়ে তমাকে সীটের উপর উপুর করে শুইয়ে দিল। আবার মেতে উঠল তমার বৃত্ত দুটোকে নিয়ে। হাল্কা কামরও দিয়ে গেল দাত দিয়ে, আর ঘুরতে লাগল পরিধি বরাবর।
এদিকে আরামে চোখ দুটো তমার বুজে এল। আহহ …। .।। .।.. ।..।। …।।..।…।। উফ..।…। অহহহহ রেদোওওওও..। ..।……. ।।…।। আফফফফ…।। অও………… কত শব্দই না সুখে তমা করতে লাগল। অনেক ভিজে উঠল তমার উরুর সন্ধিস্থল।
রেদো এবার দুধদুটোকে ছেরে আস্তে আস্তে চুমু দিতে দিতে পেটে নেমে এল, হাল্কা মেদ জমেছে পেটে এখন, রেদো সেই হ্রদের গর্তের ঘামটুকু শুষে নিল, তমা নাভীতে জিহবার স্পর্শে শীহরিত হয়ে রেদোর চুলগুলো টেনে ধরল সজোরে… আআআআআআআআআহহহহহহহ… রেদো দ্বিগুণ উতসাহে তমার পেট আর নাভী চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিল, এক মুহুর্তের জন্য আবার সে ঠীটে উঠে এল আর পরমুহুর্তেই গলা ঘারে চুমু দিল, আবার নাভীতে চলে গেল। রেদোর এমন আদর সহ্য না করতে পেরে তমা গলা কাটা মুরগীর মত ছটফট করতে লাগল আর ধনুকের মত পিঠ বাকাতে লাগল অসীম আনন্দে।
এক নাগারে অনেক্ষন একভাবে থাকায় রেদোর পিঠ ব্যথা করতে লাগল। তাই সে এবার তমাকে ঠোটে চুমু দিতে দিতে তমাকে পেছনের সীটে নিয়ে শুইয়ে দিল আর নিজে সামনের দুই সীটের মাঝে বসে তমার গুদের কাছে চলে এল। ভিজে জবজব করছে। তারাতারি করে পুরোপুরি ল্যংটা করে ফেলল তমাকে, নগ্ন তমার অপরুপ সৌন্দর্য এক নয়নে উপভোগ করতে লাগল রেদো।
‘এই শুধু কি দেখবে, আমি আর পারছি না, কিছু করো এটার।’
স্মিত হেসে রেদো হাল্কা চুলের ভোদাটার চুলে বিলি কাটতে থাকে কিন্তু যোনি বা ক্লিটোরিসে জিহবা দেয় না আগেই, এতে যেন তমার শরীর আরও ফুসে উঠে। উফফফফফ আর একটু অদিকে সোনা, প্লিজ অদিকে যাও আরেকটু। ওদিকে রেদোর সাইলেন্ট করে রাখা মোবাইল বনবন করছে ভাইব্রেশন দিয়ে রাখায়। রেদোর তা ধরার মত পর্যায়ে এখন নেই, নেই এই আবেগকে প্রশমন দেওয়ার কোন উপায়!এদিকে রেদোর ধন ব্যথায় টনটন করছে, সে উরু চাটতে চাটতে নিজের প্যন্ট জাঙ্গিয়া খুলে ধনটা এক হাত দিয়ে হাল্কা ভাবে খেচতে লাগল, অপর হাত দিয়ে ক্লিটোরিসে হাত বুলাতে লাগল। তমার শীতকারে তখন রেদো আর মধুর কষ্ট না দিয়ে যোনীতে মুখ দিল, ভারী হয়ে গেল তমার নিঃশ্বাস আরো আর কেপে কেপে উঠতে লাগল, ওফফফ…… ওহহহহহ আহহহহহ ইয়াহহহহ…… কাম. ।।… উমাআআআআ.।। .।.। …।।… ।। উচু আর শক্ত হয়ে থাকা অংশটার চারপাশটা শুষে নিতে লাগল জিহবা দিয়ে, হালাকাভাবে দাতের ঘষাও দিতে থাকল। তমা পেট বাকিয়ে শীতকার করতে লাগল। একটু পর পর আঙ্গুল দিয়েও যোনীর উপর ভাগের দিকে অঙ্গুলি করতে থাকল। বার কয়েক রেদো হাত দিয়ে যোনীটা ফাক করে ভেতরের লালচে খয়েরী অংশটা চেটে দিতে লাগল। এভাবে আরও কিছুক্ষন চাটার পর তমা আর সহ্য করতে পারল না, ভিজে একেবারে জবজবে হয়ে উঠল ওর গোলাপী খয়েরী চেরাটা। উফফ এবার ছাড় বলে সে সোজা হয়ে বসল।

রেদো এবার সামনের সীটে হেলান দিয়ে বসল, তমা ওর লিংগটা ধরল এক হাত দিয়ে, আর এক হাত দিয়ে টেস্টিস বল দুটো নাড়তে লাগল। হালকা ভাবে খেচে দিতে লাগল শক্ত হয়ে থাকা লাঠিটাকে, কামরস বিন্দুগুলো যেন ক্ষেপে অস্থির হয়ে ছিল, তমা আস্তে করে তা চেটে নিল। চোখ বুজে সেই আনন্দ নিতে লাগল রেদো। অনেক উত্তেজিত হয়ে পরায় বেশীক্ষন রাখতে পারে না রেদো, ছলকে ছলকে ফুসে উঠে মুক্তির আনন্দ উপভোগ করে রেদোর বীর্য। সীট, তমার হাত আর রেদোর নিচের দিক মেখে যায়। টিস্যু দিয়ে মুছে দেয় তমা। বীর্য বেরিয়ে গেলেও এখনো নেতিয়ে পরে নি রেদোর ধন, তবে একটু নরম হয়ে গেল।
এরপর ওর চুল মুঠি করে ধরল রেদো আর তমা ওর জিহবা দিয়ে আলতোভাবে টাচ করল নরম হয়ে থাকা মুন্ডিটাকে। তমা একবার হালকা করে জিহবা লাগায় আবার পরমুহুর্তেই সরিয়ে নেয়, রেদো জিহবার টাচটা পেতে তখন উদ্গ্রীব হয়ে উঠে, বড় অসহ্য লাগে যখনি তমা আবার মুখ সরিয়ে নেয় আর মুন্ডি ছেরে দেয়। এভাবেই কিছুক্ষন চলার মাঝ একবার তমা গাঢ ভাবে চুমু দেয় রেদোর ঠোটে, তারপর চিবুকে, এরপর পেশীবহুল হাত এ, তারপর লোমহীন বুকে। আর এক হাত দিয়ে বিচি দুটো নাড়তে থাকে। এরপর তমা এক্সপার্টের মত মুখ নামিয়ে এনে ধন চুষে দিতে থাকে। এক হাত দিয়ে উপর নিচ করা আর ঠোটের স্পর্শে লিঙ্গের স্নায়ুগুলোকে যেন পাগল করে দিতে থাকে, রেদো একটু পর পর সোনা সরিয়ে নেয়, তমার ঠোট যেন ছটফট করে উঠে কাংক্ষিত বস্তুটিকে ছোয়ার আশায়। রেদোই আবার থাকতে না পেরে তমার মুখ ওর ধনে চেপে ধরে। আস্তে আস্তে আবার শক্ত আর দৃঢ হয়ে শুরু করে রেদোর ধন, মুন্ডীটা আবার ফুলে উঠতে থাকে।এভাবে আরও কিছুক্ষন চোষার পর রেদো তমাকে আবার পেছনের সীটে শুইয়ে দেয়। নিজে হাটু গেড়ে বসে ধনটাকে যোনী বরাবর সেট করে আস্তে করে ঠেলা দেয়, অনেকদিন যাওয়া আসা নেই হইত ভাবে সে, বেশীদূর যায় না। এরপর বাইরে এনে আস্তে আস্তে চাপ বারাতে থাকে, একসময় অনেকটাই ঢুকে যায়। তারপর ভিতর বাহির শুরু হয়ে যায়, ঠাপের তালে তালে গাড়ী কেপে কেপে উঠে একবার ডানে আবার বামে। এসির বাতাসের শব্দ, ঠাপের পচপচ শব্দ আর তমার শীতকার আহহহহ উহহহহহ ইয়াহহহহহ উউউউ, পরিবেশটা রেদোর উত্তেজনার পারদ ক্রমশ উপরে উঠাতে থাকে। কিছুক্ষন এভাবে করার পর রেদো তমাকে হাতের উপর ভর দিয়ে পা ভাজ করে বসতে বলে, আর রেদো তমাকে পেছন থেকে ঠাপাতে থাকে।

এভাবে কিছুক্ষন ঠাপের পর হঠাত যেন রেদোর ধনকে যেন একটা খাজ চুপসে ধরতে থাকে, বুজে থাকা তমার চোখ আর শরীরের বাকান নৃত্য আর ধনে বিচিত্র অনুভুতি রেদোর কাম প্রবনতা অনেক বারিয়ে দিল, সে আরো জোরে জোরে ঠাপাতে থাকল, কিছুক্ষন পরই ধন বের করে তমার অনেকটাই নিস্তেজ হয়ে আসা শরীরে পিঠে বীর্য ছেরে দিল, কিছুক্ষন আগেই বীর্য পরায় এবার আগের মত অতটা বের হল না, কিন্তু রেদোর অরগাসম বোধ করি আগের চেয়ে কম হল না, এক পরম পরিতৃপ্তি নিয়ে সে সীটে তমার উপর গা এলিয়ে দিল। একটা হাত রাখল তমার হাতের উপর, তখনি রেদোর চোখ আটকে গেল ওর হাতে নীলার দেওয়া আংটিটার উপর! মনে পরে নীলার কথা সাথে সাথে।
মোবাইল বেজেই চলেছে, এবার ভাইব্রেশনের শব্দে রেদোর গাড়ীর ঘড়ির দিকে চোখ পরে, দেখে রাত আড়াইটা বাজে প্রায়। সাথে সাথে উঠে মোবাইল দেখেঃ মিসড কল (২১), মেসেজেস (২)। জানে রেদো, মিসড কলে কার নাম থাকবে, নিজের মধ্যে বড় একটা অপরাধবোধ কাজ করে। ইনবক্স ওপেন করে দেখে-
‘জান তুমি ফোন ধরো না কেন? আর ইউ অলরাইট। প্লিজ ফোন করো একটা। তুমি আমার একটূও খবর নিলা না, একদমই মিস করছ না আমাকে, না? বাসায় আস খালি তুমি। আর হ্যা নিশ্চই ফ্রেন্ড্ররা মিলে হার্ড ড্রিংক করছ আর এখনও আড্ডা দিচ্ছ ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে, তোমাকে কতবার নিষেধ করেছি হার্ড ড্রিংক না খেতে, ডাক্তার কি বলছে শুনো নি তুমি? আর হ্যা তোমার মেয়ে বলেছে তোমার সাথে কোন কথা নেই, কাট্টি নিয়েছে ও। আই লাভ ইউ, প্লিজ তারাতারি বাসায় আসো…………”
নীলার কথাগুলো বুকে যেন শেল হয়ে বিধতে থাকে রেদোর, প্রচন্ড এক মানসিক অস্বস্তি যেন আকড়ে ধরে আষ্টেপৃষ্টে রেদোকে। বিবেকের কাছে যেন খুব বড় অপরাধী লাগতে থাকে, নিজেকে ক্ষমা করতে পারছে না রেদো। তমাও নিশ্চুপ,হ ইত সেও অনাকাংক্ষিত ভুলটার জন্য অনুতপ্ত।
রেদো টিস্যু দিয়ে মুছে দ্রুত প্যান্ট পড়ে নেয় আর গাড়ী স্টার্ট দেয় দেরী না করে। তমা চুপচাপ নিজেকে পরিষ্কার করে নিতে থাকে। দ্রুত চালিয়ে রেদো তমার বাসার কাছে এসে থামে। রাতের নিস্তব্ধতা বোধকরি ওদের দুজনের নৈশব্দে আরো বেরে গেল। তমা একটি কথাও না বলে নেমে গেল খুব তারাতারি, রেদোর সামনে সে তার অশ্রু দেখাতে চায় না।
রেদো একবার তাকাল তমার দিকে, ভাবল একবার ভাবে ডাকে তমাকে, কি মনে করে ডাকল না। রেদোও কোন কিছুই বলতে পারল না, এমনকি কোন কন্টাক্ট নাম্বারও জিজ্ঞেস করল না, যদি যোগাযোগ রাখলে আবার পুরোনো ঘটনাগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠে! সে নীলাকে ধোকা দিতে চায় না, নীলাকে অনেক ভালোবাসে সে। তমা কি ওকে ভালোবাসত? কেন তমাকে সে তার মনের কথাগুলো সেইদিনগুলোতে বলতে পারল না? বললে হইত আজ সবকিছু অন্যরকমও হতে পারত! রেদো ভাবে।
তমা দ্রুত হেটে যায় লনটুকু, পেছনে ফিরে দেখার খুব ইচ্ছা হল তার, কিন্তু না ফিরল না। রেদো নীলার, তার নয়, তার জন্য রেদো নিজেকে অপরাধী ভাবুক তমা তা চায় না, শুধু মনে মনে বলে-
সুখে থেকো তুমি, ভুলটুকুতো আমারই! তোমাকে যে ছেড়ে গিয়েছিলাম আমি!

Comments
2 Responses to “ঠাপের পচপচ শব্দে বাতাস ভারী”
  1. রোদো আমার বন্ধু। সে তার কাহিনীটাকে চটি বানিয়ে ফেলেছে এবং কোনো এক চটির পেজে পাবলিশড করে দিয়েছে। তবু তার কাহিনীটি এখানে দিলাম, বন্ধুর কথা তোমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য..আশা করি আমার বন্ধুটিকে ছোট করে দেখবেনা..

    Like

  2. nill বলেছেন:

    vry nice

    Like

বন্ধুরা, লেখাটি সম্পর্কে তোমার মন্তব্য লিখো..প্লিজ..: (ইমেইল এড্রেস জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় না।)

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: